Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

সারাদেশ

চুয়াডাঙ্গায় ভারতীয় নাগরিককে আটকের পর পুলিশে দিলো জনতা

Icon

জাগো বাংলা ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৪:২৯ পিএম

চুয়াডাঙ্গায় ভারতীয় নাগরিককে আটকের পর পুলিশে দিলো জনতা

বিজ্ঞাপন

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর থেকে ভারতীয় এক নাগরিকসহ ৭ জনকে আটক করেছে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে বেনীপুর সীমান্ত দিয়ে কাঁটাতারের বেড়া পার হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের অভিযোগে তাদের আটক করা হয়।

আটক পাঁচজন হলেন- বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার আব্দুস শুকুর খান, সিলেটের শারমিন আক্তার রুমি, হামিদা, চাঁদপুরের নয়ন এবং ভারতের কলকাতার বাসিন্দা নিয়ান। তাদের সঙ্গে সীমান্ত পারাপারে সহায়তার অভিযোগে বেনীপুর সীমান্ত এলাকার হাসিবুল ও আসমাউল নামে আরও দুজনকে আটক করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার বেনীপুর সীমান্ত দিয়ে কাঁটাতারের বেড়া পার হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় এক নাগরিকসহ পাঁচজনকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে সীমান্ত পারাপারে সহায়তার অভিযোগে আরও দুই ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে জীবননগর উপজেলার বেনীপুর সীমান্ত দিয়ে পাঁচজন বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। সীমান্ত এলাকা থেকে তারা জীবননগর শহরের দিকে আসছিলেন। পরে জীবননগর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে তাদের স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। এ সময় তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে খবর পেয়ে জীবননগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের হেফাজতে নেয়।

আটক ব্যক্তিদের ভাষ্য, তারা কাজের উদ্দেশ্যে ভারতের ব্যাঙ্গালুরুতে গিয়েছিলেন। সেখানে অবস্থানকালে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) তাদের আটক করে। পরে তাদের সীমান্ত এলাকায় নিয়ে গিয়ে একটি ক্যাম্পে রাখা হয়। সেখান থেকে তাদের বেনীপুর সীমান্তে এনে কাঁটাতারের বেড়া পার করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ বলেন, ভারতীয় নাগরিকসহ কয়েকজনকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। তাদের পরিচয়, নাগরিকত্ব এবং কীভাবে তারা সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন, তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে ঘটনার বিষয়ে ৫৮ বিজিবির পরিচালক ও অধিনায়ক লে. কর্নেল রফিকুল আলম বলেন, আমরা তদন্ত করে দেখছি। তদন্ত শেষে জানানো যাবে।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার