Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

সারাদেশ

মহাসড়কে রান্নার সিলিন্ডারে চলছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা

Icon

জাগো বাংলা ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০১:১৭ পিএম

মহাসড়কে রান্নার সিলিন্ডারে চলছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা

বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটি মহাসড়কের হাটহাজারীতে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে রান্নার এলপি গ্যাস সিলিন্ডার। যাত্রীদের আসনের পেছনে এসব সিলিন্ডার বেঁধে ঝুঁকি নিয়ে চলছে অটোরিকশা। এতে যেকোনো সময় অগ্নিকাণ্ড বা বিস্ফোরণের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। পাশাপাশি যাত্রীদের গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়াও।

সরেজমিন দেখা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘদিন ধরে তীব্র গ্যাসের সংকট চলছে। অনেক চালক ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় লাইনে দাঁড়িয়েও গ্যাস পাচ্ছেন না। এতে আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় কেউ কেউ বাধ্য হয়ে রান্নার কাজে ব্যবহৃত এলপিজি সিলিন্ডার অটোরিকশায় ব্যবহার করছেন।

পৌরসভার বাসিন্দা মো. জামাল উদ্দিন বলেন, গাড়ির ভেতরে এভাবে গ্যাসের সিলিন্ডার রাখা খুবই ভয়ংকর। বাধ্য হয়েই আমাদের যাতায়াত করতে হচ্ছে। 

তিনি আরও বলেন, আগে একই পথে ৩০ টাকা ভাড়া নেওয়া হলেও এখন ৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াতের পাশাপাশি যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়াও দিতে হচ্ছে। 

আরও পড়ুন

সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্যাসের সংকট না থাকলে তারা ঝুঁকি নিয়ে এলপিজি ব্যবহার করতেন না দাবি করে অটোরিকশা চালক দিদার ইসলামের।

তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, গ্যাসের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। অনেক সময় সারা দিনেও গ্যাস পাওয়া যায় না। গাড়ি না চালালে পরিবারের খরচ চলবে কীভাবে? তারমধ্যে রয়েছে কিস্তি। তাই বাধ্য হয়ে বিকল্প হিসেবে এলপিজি ব্যবহার করছি। 

হাটহাজারী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান বলেন, এলপি গ্যাস অত্যন্ত দাহ্য। সিলিন্ডারে ত্রুটি, অসতর্কতা কিংবা পরিবহনের সময় আগুনের সংস্পর্শে এলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিশেষ করে যাত্রীবাহী অটোরিকশায় এভাবে সিলিন্ডার বহন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

এ ব্যাপারে জানতে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটি মহাসড়কের দায়িত্বে নিয়োজিত রাউজান হাইওয়ে থানার ওসি মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি তিনি সাড়া দেননি।  

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার