বিজ্ঞাপন
‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ যাচ্ছে চিড়িয়াখানায়, ফেরত দেওয়া হলো ক্রেতার টাকা
জাগো বাংলা ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ মে ২০২৬, ১১:০৪ পিএম
বিজ্ঞাপন
আলোচিত ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া অ্যালবিনো জাতের মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ শেষ পর্যন্ত কোরবানির হাটে যাচ্ছে না। সেটির নতুন ঠিকানা হচ্ছে রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত জাতীয় চিড়িয়াখানা।
বুধবার (২৭ মে) রাতে মহিষটিকে চিড়িয়াখানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
জাতীয় চিড়িয়াখানার কিউরেটর আতিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নারায়ণগঞ্জের সেই ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামের মহিষটিকে রাতেই চিড়িয়াখানায় আনা হয়েছে। সেটির জন্য একটি বিশেষ শেড প্রস্তুত করা হয়েছে এবং খাওয়ার সব ধরনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। চিড়িয়াখানায় এটি সবার দর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
এর আগে সোমবার (২৫ মে) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়ার ‘রাবেয়া অ্যাগ্রো ফার্ম’ থেকে মহিষটিকে রাজকীয় বিদায় দেওয়া হয়েছিল। সাদা রঙের ও অদ্ভুত গড়নের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নামের সঙ্গে মিলিয়ে এর নাম রাখা হয়েছিল ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’। ৭০০ কেজি ওজনের ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ৫৫০ টাকা কেজি দরে (৩ লাখ ৮৫ হাজার) টাকায় কিনেছিলেন কেরানীগঞ্জের জিনজিরা এলাকার ক্রেতা সামির। বিদায়ের দিন মহিষটিকে লাল গালিচা সংবর্ধনা, রাজকীয় পোশাক ও কালার স্মোক উড়িয়ে বিদায় জানায় খামার কর্তৃপক্ষ।
তবে বিক্রির পর মহিষটিকে ঘিরে সাধারণ মানুষের অতিরিক্ত জনসমাগম ও সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা তৈরি হয়। পরিস্থিতি বিবেচনায় জননিরাপত্তা ও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ স্বয়ং বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনায় ক্রেতাকে তার দেওয়া পুরো টাকা ফেরত দিয়ে মহিষটি ফিরিয়ে আনা হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ গণমাধ্যমকে জানান, জননিরাপত্তা রক্ষা ও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যাতে তৈরি না হয়, সেই লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক ড. মোহাম্মাদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার জানান, প্রদর্শনীর উদ্দেশ্যে মহিষটিকে চিড়িয়াখানায় আনা হয়েছে।
এখন থেকে এটি চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের নিবিড় পর্যবেক্ষণে লালন-পালন করা হবে।
খামার কর্তৃপক্ষ জানায়, অ্যালবিনো জাতের এই মহিষটির গায়ের রং, চুল ও চোখ দেখতে অনেকটা ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো হওয়ায় শখ করে খামার মালিকের ছোট ভাই এর নাম রেখেছিলেন ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এটি ব্যাপক ভাইরাল হওয়ায় প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এটি দেখতে ভিড় করছিল।