Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

সারাদেশ

আবাসিক হোটেলে সহ-সভাপতির স্ত্রীর সঙ্গে যুবদল সভাপতি, ভিডিও ভাইরাল

Icon

জাগো বাংলা ডেস্ক

প্রকাশ: ২২ মে ২০২৬, ০৯:৩১ এএম

আবাসিক হোটেলে সহ-সভাপতির স্ত্রীর সঙ্গে যুবদল সভাপতি, ভিডিও ভাইরাল

বিজ্ঞাপন

বরিশাল নগরীর একটি আবাসিক হোটেলকে কেন্দ্র করে ভোলা জেলা যুবদলের দুই নেতার ব্যক্তিগত সম্পর্কের অভিযোগ ঘিরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও নিয়ে তোলপাড় চলছে।

বুধবার (২০ মে) দুপুরে বরিশাল শহরের একটি আবাসিক হোটেলের সামনে এক যুবককে তার স্ত্রীকে হাত ধরে টেনে নিয়ে যেতে দেখা যায়। ভিডিওতে ওই ব্যক্তি অভিযোগ করেন, তার স্ত্রী শেওলা বেগম যুবদলের এক নেতার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক স্থাপনের উদ্দেশ্যে গোপনে হোটেলে অবস্থান করছিলেন।

অভিযোগকারী মো. সবুজ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল-এর ভোলার বোরহানউদ্দিন পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সিনিয়র সহসভাপতি বলে জানা গেছে। আটক নারী শেওলা বেগম তার স্ত্রী। অন্যদিকে অভিযুক্ত ব্যক্তি একই ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মো. আওলাদ ফরাজি বলে দাবি করেন সবুজ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মো. সবুজ বরিশাল নগরীর হক আবাসিক হোটেলে গিয়ে তাদের আপত্তিকর অবস্থায় আটক করেন বলে দাবি করেন। পরে ঘটনাটি স্থানীয় নেতাকর্মী ও স্বজনদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

সবুজ দাবি করেন, গত ছয় মাস ধরে তার স্ত্রীর সঙ্গে কয়েকজন পুরুষের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, স্ত্রীর মোবাইল ফোনে চারজন পুরুষের সঙ্গে প্রায় ৮ লাখ সেকেন্ড কথা বলার তথ্য পাওয়া গেছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত আওলাদ ফরাজি বিভিন্ন সময় ওই হোটেলে অবস্থান করতেন এবং এ বিষয়ে তিনি আগে থেকেই সন্দিহান ছিলেন।

জানা গেছে, ঘটনার দিন সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তারা ভোলা থেকে স্পিডবোটে বরিশালের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন পৌর যুবদলের সভাপতি মো. হেলাল মুন্সি ও সাধারণ সম্পাদক জাফর মৃধা বলেন, ঘটনাটি তারা শুনেছেন এবং সাংগঠনিকভাবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তারা।

তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে কেউ যেন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে, সে বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার