বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় ভাত চেয়ে না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে সাতটি ঘরে ভাঙচুর ও নারী-শিশুসহ পাঁচজনকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে আব্দুল মালেক (২৭) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। সোমবার (১৮ মে) বিকেলে মাসদাইর গাবতলী এলাকায় তোফাজ্জল পুলিশের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, রেনুভা বেগম (৩৫), জেনুফা আক্তার (৩০), লামিয়া আক্তার মীম (৬), খাদিজা আক্তার (১৮) ও খোকা মিয়া (৫৩)। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত আব্দুল মালেক দীর্ঘদিন ধরে বেকার ও মাদকাসক্ত। এ কারণে পরিবারের সদস্যরা তাকে অবহেলা করতেন। ঘটনার দিন দুপুরে মালেক তার ভাবি রেনুভা বেগমের কাছে ভাত খেতে চান। খাবার না পেয়ে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে ঘরে থাকা বঁটি দিয়ে রেনুভা বেগম ও তার শিশু কন্যা লামিয়া আক্তার মীমকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করেন। পরে ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন।
এরপর পাশের আরও ছয়টি ঘরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করেন মালেক। এ সময় তাকে বাধা দিতে গেলে প্রতিবেশী দুই নারী ও এক বৃদ্ধকেও কুপিয়ে আহত করা হয়।
আহত খাদিজা আক্তার জানান, তিনি ঘরে শুয়ে ছিলেন। হঠাৎ মালেক দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে আসবাবপত্র ভাঙচুর শুরু করেন। কারণ জানতে চাইলে তিনি তার হাতে ও পিঠে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুব আলম বলেন, অভিযুক্ত মালেককে গ্রেফতার করা হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা চলছে। ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।