Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

রাজধানী

রাজধানীতে দিনের বেলা ঘরে ঢুকে নারী চিকিৎসককে হত্যার কারণ জানা গেল

Icon

জাগো বাংলা ডেস্ক

প্রকাশ: ০১ আগস্ট ২০২৬, ০৩:২৮ পিএম

রাজধানীতে দিনের বেলা ঘরে ঢুকে নারী চিকিৎসককে হত্যার কারণ জানা গেল

বিজ্ঞাপন

রাজধানীর দক্ষিণখানের ফায়দাবাদ এলাকার জামতলা গলিতে এক নারী চিকিৎসককে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ‌নিহ‌তের নাম সারা রোকসানা পিনু। পরিবারের দাবি, হত্যার পর দুর্বৃত্তরা ঘরের জিনিসপত্র লুট ক‌রে নি‌য়ে গে‌ছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকালে ভবনের দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটের গ্রিল কেটে ভেতরে ঢুকে ওই নারীকে হত্যা করা হয়।

নিহত পিনু কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের ভূইয়া বাড়ি এলাকার শিক্ষক মজিবুল হক বাচ্চুর মেয়ে। তার স্কুল পড়ুয়া দুটি ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তবে ঘটনার সময় ওই নারী বাসায় একাই ছিলেন বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বাসার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে দুর্বৃত্তরা বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধে সারা রোকসানাকে হত্যা করে। পরে বাসায় থাকা স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।

নিহতের ছেলে বলেন, ‘‘আমি বাসায় ছিলাম না। পরে এসে দেখি আমার আম্মুকে গেস্ট রুমে হত্যা করা হয়েছে। গ্রিল কেটে খুনি বাসায় ঢুকেছে। বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। আমার আম্মুর কাছে যত স্বর্ণ ও টাকা ছিল, সব নিয়ে গেছে।’’

তিনি আরও বলেন, ‘‘স্বর্ণালংকারের জন্যই দুর্বৃত্তরা বাসায় ঢুকেছে বলে তাদের ধারণা। তবে বাসার কিছু জিনিসপত্র ও প্যাকেট এখনও পড়ে রয়েছে। পুলিশ আলামত সংগ্রহ ও তদন্ত শেষ হওয়ার পর সেগুলোতে হাত দেওয়া হবে।’’

পুলিশ জানায়, ঘটনার সময় সারা রোকসানা বাসায় একাই ছিলেন। তার স্বামী প্রতিদিনের মতো অফিসে ছিলেন এবং মেয়েকে স্কুলে পৌঁছে দিয়েছিলেন।

ডিএমপি উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মির্জা তারেক আহমেদ বেগ বলেন, ‘‘বিকাল ৩টার পর গ্রিল কেটে বাসার ভেতরে প্রবেশ করে দুর্বৃত্তরা ওই নারীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পাশাপাশি ঘরের বিভিন্ন মালামালও লুট করেছে।’’

দক্ষিণখান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিব বলেন, ‘‘সাধারণত স্কুল ছুটির পর নিহত নারী মেয়েকে স্কুল থেকে নিয়ে আসতেন। কিন্তু ওই দিন তিনি স্কুলে না যাওয়ায় মেয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে নিজেই বাসায় ফিরে আসে। বাসায় এসে পরিস্থিতি দেখে আবার স্কুলে ফিরে শিক্ষকের কাছে বিষয়টি জানায়। পরে শিক্ষক তার বাবাকে খবর দেন।’’

তিনি জানান, বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দেখতে পায়। তখন নিহতের স্বামী ও ছোট মেয়ে সেখানে উপস্থিত ছিলেন। পরে পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করা হয়।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার