পারলো না বেলজিয়াম, ফাইনালে ফ্রান্স

জাগো বাংলা ডেস্ক প্রকাশিত: ১১:৫৬ এএম, ১১ জুলাই ২০১৮
পারলো না বেলজিয়াম, ফাইনালে ফ্রান্স

পারলো না রেড ডেভিলরা। আরও একবার বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হলো ইউরোপের দেশটিকে।

ফ্রান্সের বিপক্ষে ১-০ গোলে হেরে শেষ চার থেকে বিদায় নিল তারা। অন্যদিকে ২০০৬ সালের পর আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠলো ফ্রান্স।

বিশ্বকাপে দুদলের সর্বশেষ লড়াইটা হয়েছিল ১৯৮৬ সালে। সেবার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে এই ফ্রান্সের কাছেই হার মেনে নিতে হয়েছিল বেলজিয়ামকে। আবারও সেই ফ্রান্সেই কাটা পড়লো তারা। অথচ বেলজিয়ামের এই সোনালি প্রজন্মকে নিয়ে অনেকে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছিল।

ম্যাচের শুরুতেই দুদলের কোচ একটি করে পরিবর্তন এনে একাদশ সাজান। শুরু থেকেই আক্রমণ পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। তবে ম্যাচে প্রথম ২০ মিনিট ছিল বেলজিয়ামের দখলে।

২৫ মিনিটের পর কিছুটা ঝিমিয়ে পড়ে বেলজিয়াম। এই সুযোগে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টা করে তরুণ ফ্রান্স দল।

৩১ মিনিটে ডি বক্সের বাইরে থেকে গ্রিজিম্যানের দুর্বল শট গোলের নিশানা খুঁজে পায়নি। ৩৪ মিনিটে ম্যাচের সবচেয়ে সহজ সুযোগটি পেয়েছিল ফ্রান্স। ডান পাশ থেকে এমবাপ্পের শট গোলমুখে কুর্তোয়াকে একা পেয়ে বাইরে শট নেন ফ্রেঞ্চ স্ট্রাইকার জিরু।

৩৯ মিনিটে ফ্রান্সের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ান বেলজিয়ামের আগের ম্যাচের নায়ক কুর্তোয়া। পাভার্ডের শট ডান পায়ের বদৌলতে রুখে দেন কুর্তোয়া। ম্যাচের প্রথমার্ধে আর কোনো সুযোগ তৈরি না হলে গোলশূন্য থেকেই প্রথমার্ধে যায় দুদল।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোলের জন্য মরিয়া হয়ে খেলে ফ্রান্স। ৫১ মিনিটে বেলজিকদের দুর্গ ভাঙেন বার্সেলোনার রক্ষণভাগের সেনানি সামুয়েল উমতিতি। গ্রিজম্যানের করা কর্নার থেকে দারুণ হেডে গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন।

গোল খেয়ে যেন মরিয়া হয়ে ওঠে বেলজিয়াম। অফ ফর্মের মুসা দেম্বেলের পরিবর্তে মার্টেনসকে নামান কোচ। ডান পাশ থেকে তার দেয়া ক্রসে ৬৫ মিনিটে ফেলাইনির হেড একটুর জন্য গোলের দেখা পায়নি।

গোলমুখে মার্টেনসের একের পর এক ক্রস দেখা পায়নি যোগ্য কোনো সতীর্থের। ৮১ মিনিটে ভিটসেলের দূরপাল্লার বুলেট শট দুর্দান্ত ভঙ্গিমায় পাঞ্চ করে ফ্রান্সকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন লরিস।

ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেলেও তলিসো এবং গ্রিজম্যান সুযোগ নষ্ট করেন। ফলে ১-০ ব্যবধানে জিতেই ২০০৬ সালের পর আবারও ফাইনালে পা রাখলো ফ্রান্স।

এইচএম