বিধ্বস্ত বিমানের ১৮৯ আরোহীর বেঁচে থাকার আশা ক্ষীণ

জাগো বাংলা ডেস্ক প্রকাশিত: ০৪:৫৫ পিএম, ২৯ অক্টোবর ২০১৮
বিধ্বস্ত বিমানের ১৮৯ আরোহীর বেঁচে থাকার আশা ক্ষীণ

১৮৯ আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা থেকে পঙ্কাল পিনাংয়ের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া বিধ্বস্ত বিমানটির এখনও পর্যন্ত কাউকে উদ্ধার করা যায়নি। তবে সাগরে ভেসে উঠছে দেহাবশেষ। ধারণা করা হচ্ছে বিধ্বস্ত বিমানের ১৮৯ আরোহীর কেউই বেঁচে নেই।  

সোমবার ১৮৯ জন আরোহী নিয়ে লায়ন এয়ারের একটি বিমান দেশটির জাভা সাগরে বিধ্বস্ত হয়।

বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন বলছে, বোয়িং-৭৩৭ নামের বিমানটি জাকার্তা বিমানবন্দর থেকে স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ২০ মিনিটে উড্ডয়ন করে। এর কিছুক্ষণ পর অর্থাৎ সকাল ৬টা ৩৩ মিনিটে ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার সংবাদ পাওয়ার পর উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে দেশটির জাতীয় উদ্ধারকারী সংস্থা।

এদিকে ঘটনাস্থল থেকে বিমান যাত্রীদের বিভিন্ন জিনিসপত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া আশেপাশের এলাকায় এসব সামগ্রী ছড়িয়ে পড়ার খবরও পাওয়া গেছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, সমুদ্রের ২০ থেকে ৩০ মিটার গভীরে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে।

কর্মকর্তারা জানান, লায়ন এয়ার ফ্লাইটের ওই বিমানটি প্রায় নতুন ছিলো। তারা এখনও বেঁচে থাকা কারও সন্ধান পাননি। পাওয়ার কোনো সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে না। তবে উপকূল থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে দেহাবশেষ উদ্ধার করেছেন তারা।

লায়ন এয়ারের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিধ্বস্ত বিমানটির পাইলট ও কো-পাইলটের ১১ হাজার ঘণ্টারও বেশি উড্ডয়ন অভিজ্ঞতা রয়েছে। এছাড়া বিমানটিতে শিক্ষানবীশ ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট ছিলেন।

এর আগে ২০১৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর ১৬২ জন আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশিয়া থেকে সিঙ্গাপুরগামী এয়ার এশিয়ার একটি উড়োজাহাজ জাভা সাগরে বিধ্বস্ত হয়।

বিএইচ