থাই গুহায় আটকে পড়া ১৩ জনই উদ্ধার

জাগো বাংলা ডেস্ক প্রকাশিত: ০৫:৫৮ পিএম, ১০ জুলাই ২০১৮
থাই গুহায় আটকে পড়া ১৩ জনই উদ্ধার

দুই সপ্তাহেরও বেশি আটকে থাকার পর অবশেষে থাইল্যান্ডের গুহা থেকে ১২ ক্ষুদে ফুটবলার ও তাদের কোচকে উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার অভিযানের তৃতীয়দিনে গুহা থেকে নবম, দশম এবং এগারোতম কিশোরকে উদ্ধার করা হয়। থাই নেভি সিলের ফেসবুক পেইজে অভিযানের শেষ দিন মঙ্গলবার উল্লেখ করে দেয়া এক পোস্টে বলা হয়, ‘উইল্ড বোরের নবম সদস্যকে বিকেল ৪টা ৬ মিনিটে গুহা থেকে বাইরে আনা হয়েছে।’

এর কিছুক্ষণ পর দশম কিশোরকে উদ্ধার করা হয়। পরে ৫টা ৮ মিনিটে উদ্ধারকারীরা ১১তম কিশোরকে সঙ্গে নিয়ে গুহা থেকে বের হন। তবে দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে গুহায় আটকা কিশোর ফুটবল দলের ১২তম সদস্য ও তাদের ২৫ বছর বয়সী কোচকে সবার শেষে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার অভিযানের দায়িত্বে থাকা থাই নেভি সিল বলছে, গুহায় আটকা সবাইকে উদ্ধার করা হয়েছে। অসাধারণ এবং কষ্টদায়ক এই অভিযান শেষ হওয়ায় সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছে নেভি সিল।

ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে থাই নেভি সিল বলছে, ‘১২ উইল্ড বোর ও তাদের কোচ এখন গুহার বাইরে। সবাই নিরাপদ।’

গত ২৩ জুন ফুটবল অনুশীলন শেষে ২৫ বছর বয়সী কোচসহ ওই ১২ কিশোর ফুটবলার গুহাটির ভেতরে ঘুরতে গিয়েছিল। কিন্তু বৃষ্টিতে গুহার প্রবেশমুখ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা আর বের হতে পারেনি।

এরপর টানা নয়দিন নিখোঁজ থাকার পর গত ২ জুলাই গুহার ভেতরে জীবিত অবস্থায় তাদের শনাক্ত করেন ডুবুরিরা। রোববার (৮ জুলাই) থাইল্যান্ড সরকার তাদের উদ্ধারে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

অভিযান শুরুর দিনই চারজনকে এবং সোমবার আরও চারজনকে উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার সকালে উদ্ধার অভিযানে নিয়োজিত যৌথ কমান্ড সেন্টারের প্রধান সমন্বয়ক নারোংসাক ওসোতানাক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিলেন, অবশিষ্ট পাঁচজনকে একই সময়ে বের করে নিয়ে আসা হবে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৮ মিনিটে ১৯ জন ডুবুরি গুহায় প্রবেশ করেছেন। সোমবার দিবাগত রাতের প্রবল বৃষ্টির পরও গুহার পরিস্থিতির তেমন একটা পরিবর্তন হয়নি।

উদ্ধারকারী অভিযানের প্রধান জানান, সবকিছু পরিকল্পনা মতো যদি হয় তাহলে দিনের শেষে ওয়াইল্ড বোয়ার্স দলের কেউ গুহার ভেতরে থাকবে না। বৃষ্টি দেখে আপনারা চিন্তিত হতে পারেন। ভোর থেকেই তৃতীয় অভিযানের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। প্রথমে ১৯জন ডুবুরি গুহায় প্রবেশ করেছেন। সারাদিনে আরও অনেকে নিয়মিত প্রবেশ করবেন।

নারোংসাক বলেন, প্রথম দিন লেগেছিল ১১ ঘণ্টা, গতকাল লেগেছে ৯ ঘণ্টা। আজ আরও দ্রুত হবে বলে আশা করছি।

 

এইচএম