গাজা সীমান্তে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪১

জাগো বাংলা ডেস্ক প্রকাশিত: ০৫:১৩ পিএম, ১৪ মে ২০১৮
গাজা সীমান্তে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪১

জেরুজালেমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্বর্তীকালীন দূতাবাসের কার্যক্রমকে কেন্দ্র ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ৪১ ফিলিস্তিনির প্রাণহানি ঘটেছে। এই সংঘর্ষের সময় আহত হয়েছে কমপক্ষে ২০০০ ফিলিস্তিনি।

আজ সোমবার জেরুজালেমে মার্কিন কনস্যুলেট ভবনের ভেতরে দূতাবাসের উদ্বোধনকালে অধিকৃত গাজা উপত্যকায় সংঘর্ষে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

ইসরায়েলের রাজধানী তেলআবিব থেকে জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তরের কার্যক্রম শুরুর পর লাখ লাখ মানুষের বিক্ষোভে অগ্নিরূপ ধারণ করেছে ফিলিস্তিন।

gaza

এদিকে, তেলআবিব থেকে মার্কিন দূতাবাস জেরুজালেমে স্থানান্তরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় শুরু হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত আছেন হোয়াইট হাউসের উপদেষ্টা ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কন্যা ইভানকা ট্রাম্প ও জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং উচ্চপদস্থ মার্কিন কর্মকর্তারা।

মার্কিন দূতাবাস জেরুজালেমে স্থানান্তর ও ইসরায়েলের দখলদারির বিরুদ্ধে পুরো সীমান্ত এলাকায় বিক্ষোভ শুরু করেছেন ফিলিস্তিনিরা। সীমান্ত বেড়া পেরিয়ে ইসরায়েলের ভেতরে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করছেন তারা।

স্থানীয় সাংবাদিক মারাম হুমােইদ কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে বলেন, ‘বিক্ষোভে যতসংখ্যক মানুষ অংশ নিয়েছেন তা নজিরবিহীন। গত সাত সপ্তাহের প্রতিবাদে এমন জনসমাবেশ দেখা যায়নি।’

১৯৪৮ সালের ১৫ মে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে প্রত্যেক বছর এই দিনটিকে ফিলিস্তিনিরা ‘বিপর্যয়’ বা ‘নাকাবা’ দিবস হিসেবে পালন করে। ওই বছর হাজার হাজার ফিলিস্তিনি তাদের নিজ ভূখণ্ড থেকে বিতাড়িত হয়।

একই সঙ্গে ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিব থেকে জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস সরিয়ে নেয়ার বিরুদ্ধেও সোমবার প্রতিবাদ করছেন ফিলিস্তিনিরা। গত ৬ ডিসেম্বরে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে জেরুজালেমকে স্বীকৃতি দেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

গ্রেট মার্চ অব রিটার্ন আন্দোলনের অংশ হিসেবে সোমবার সকাল থেকেই অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার অত্যন্ত সুরক্ষিত সীমানা বেড়া পেড়িয়ে ইসরায়েলে ঢোকার চেষ্টা করেছেন। বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নিতে গাজায় লাখো ফিলিস্তিনি পৌঁছেছেন।

বিএইচ