আগামী সপ্তাহের বিতর্কে ‘সশরীরে যোগ দিতে ইচ্ছুক’ ট্রাম্প

জাগো বাংলা ডেস্ক প্রকাশিত: ১১:৩১ এএম, ০৭ অক্টোবর ২০২০
আগামী সপ্তাহের বিতর্কে ‘সশরীরে যোগ দিতে ইচ্ছুক’ ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ১৫ অক্টোবর মায়ামিতে অনুষ্ঠিতব্য প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্কে সশরীরে অংশ নিতে ইচ্ছুক বলে তার প্রচারশিবির থেকে জানানো হয়েছে। ডেমোক্র্যাট দলীয় প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জো বাইডেনের সঙ্গে রিপাবলিকান ট্রাম্পের এ বিতর্ক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের ওয়াল্টার রিড ন্যাশনাল মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসা নেওয়া শেষে হোয়াইট হাউসে ফেরার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্ক নিয়ে নিজের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে দেন ট্রাম্প। সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি এ খবর জানিয়েছে।

ট্রাম্প গতকাল মঙ্গলবার এক টুইটে বলেন, ‘মায়ামিতে ১৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আয়োজিত বিতর্কের দিকে তাকিয়ে আছি। এটা (বিতর্কে অংশ নেওয়া) দারুণ ব্যাপার হবে।’

ট্রাম্পের এমন বক্তব্যের পর তাঁর নির্বাচনী প্রচার দলের যোগাযোগবিষয়ক পরিচালক টিম মার্টাফ বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট সশরীরে (বিতর্কে) অংশ নিতে চান।’

তবে ট্রাম্পের সশরীরে বিতর্কে অংশগ্রহণ করার বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সে বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্কের পৃষ্ঠপোষণকারী অলাভজনক গোষ্ঠী প্রেসিডেন্সিয়াল ডিবেট কমিশন তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের দেওয়া স্বাস্থ্য নির্দেশনা অনুযায়ী, করোনায় আক্রান্ত হওয়ার উপসর্গ প্রকাশ পাওয়ার ১০ থেকে ২০ দিন পর্যন্ত ডোনাল্ড ট্রাম্পকে করোনাভাইরাসের সংক্রামক বলে ধরা হবে। সে হিসাবে গত ১ অক্টোবর বা এর আশপাশের দিনগুলোকে ট্রাম্পের উপসর্গ শুরুর দিন বলে ধরা হয়।

ডোনাল্ড ট্রাম্প কবে নাগাদ সংক্রমণ ছড়ানোর ঝুঁকিমুক্ত হতে পারেন, তা খতিয়ে দেখছে তাঁর মেডিকেল টিম।

এর আগে রিড সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া শেষে স্থানীয় সময় গত সোমবার হোয়াইট হাউস ফেরেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগে ট্রাম্প টুইট করেন, করোনাকে ভয়ের কিছু নেই। এরপর হোয়াইট হাউসে ফেরার সঙ্গে সঙ্গে মাস্ক খুলে ফেলেন। যদিও ট্রাম্পের চিকিৎসক জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট সম্পূর্ণ বিপদমুক্ত নন।

তবে ট্রাম্পের চিকিৎসকরা আত্মবিশ্বাসী, হাসপাতালের বদলে হোয়াইট হাউসে থেকেই তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন। হোয়াউট হাউসে ২৪ ঘণ্টা বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হবে তাঁকে। দেওয়া হবে রেমডিসিভির ওষুধের পঞ্চম ও চূড়ান্ত ডোজ।