ঢাকাই তারকাদের কে কোন দলের সাপোর্টার

জাগো বাংলা ডেস্ক প্রকাশিত: ১১:৪০ এএম, ২০ নভেম্বর ২০২২
ঢাকাই তারকাদের কে কোন দলের সাপোর্টার

রবিবার (২০ নভেম্বর) জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে ‘গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ খ্যাত ফিফা বিশ্বকাপ ২০২২। প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক কাতারের মুখোমুখি হবে ইকুয়েডর। খেলা শুরুর আগেই জমে উঠেছে ফুটবল বিশ্ব, অন্তর্জাল, সোশ্যাল মিডিয়া। এই উত্তেজনা-উন্মাদনার রেশ ছড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশেও। শুধু সাধারণ মানুষই নয়, বিশ্বকাপ হাওয়ায় ভাসছেন শোবিজ তারকারাও। রীতিমতো প্রকাশ্যেই মেতে উঠেছেন তর্কে-বাকযুদ্ধে। নিজের দলের পক্ষে যেমন যুক্তি-ভালোবাসা জাহির করছেন, আবার অন্য দলের তিরস্কার করতেও ছাড়ছেন না।
 
ঢাকার শোবিজ তারকাদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই দুটি দলের সমর্থক বেশি। এগুলো হলো আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল। একদিকে ম্যারাডোনা-মেসির জাদুকরী ফুটবল, অন্যদিকে পাঁচটি বিশ্বকাপের গৌরব। নীল-সাদা নাকি হলুদ, কোন রঙের জার্সিতে কোন তারকার ভালোবাসা মিশে আছে, চলুন তা এক ঝলকে জেনে নেওয়া যাক-

চঞ্চল চৌধুরী

অন্য অনেকের মতো দিয়াগো ম্যারাডোনার জাদুকরী ফুটবল খেলা দেখেই আর্জেন্টিনার পতাকাতলে ভিড়েছেন তিনি। যদিও সেই কিংবদন্তি বছর দুয়েক আগে চলে গেছেন না ফেরার দেশে। তাই ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের স্রষ্টাকে মিস করবেন চঞ্চল। তবে লিওনেল মেসির নেতৃত্বে এবারের আর্জেন্টিনা স্কোয়াড নিয়ে ভীষণ আশাবাদী তিনি। 

জাহিদ হাসান 

আর্জেন্টিনার খেলায় নিজের ভালোলাগা খুঁজে পান এই নন্দিত অভিনেতা। তাই কাতার বিশ্বকাপে মেসিদের জয় চান তিনি। তবে মেসির পাশাপাশি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, নেইমারদের খেলাও ভালো লাগে তার। 

আরিফিন শুভ 

শৈশব থেকে আর্জেন্টিনার ভক্ত ‘ঢাকা অ্যাটাক’ তারকা। দীর্ঘদিন ধরে একটি বিশ্বকাপের অপেক্ষায় আছেন। এবার সেই অপেক্ষার অবসান হবে বলে প্রত্যাশা তার।
 
নুসরাত ইমরোজ তিশা 

বর্তমান ফুটবল বিশ্বে তার প্রিয় খেলোয়াড় মেসি। সুতরাং পছন্দের দলটি নীল-সাদা জার্সির। আগামী এক মাস তিনি এই দলের খেলা উপভোগ করবেন বিশেষ আগ্রহ নিয়ে।
 
নিরব

আর্জেন্টিনা দলের সক্রিয় ভক্ত তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় বরাবরই মেসি ও তার সৈন্যদের জন্য ভালোবাসা প্রকাশ করেন। কাতার বিশ্বকাপে এই দলের হাতেই ট্রফি দেখতে চান এ নায়ক।
 
পূজা চেরী 

মায়ের কাছে ম্যারাডোনার কথা শুনে আর্জেন্টিনার প্রতি ভালোবাসা জন্মায় পূজার মনে। এরপর নিজে বড় হয়ে দেখতে পান মেসির বাঁ পায়ের জাদু। ব্যাস, পছন্দের দল বেছে নিতে অসুবিধা হয়নি তার। ফাইনালে মেসির মুখেই হাসিটা দেখবেন, এই প্রত্যাশা ‘পোড়ামন ২’ নায়িকার।
 
ইমরান 

ছোটবেলা থেকেই আর্জেন্টিনার ভক্ত জনপ্রিয় এই সংগীতশিল্পী। প্রিয় খেলোয়াড় মেসির প্রাপ্তির ঝুলিতে সবই দেখেছেন, শুধু একটি বিশ্বকাপ ছাড়া। এবার সেই অপূর্ণতা ঘুচিয়ে নেওয়ার স্বপ্ন ইমরানের। 

মৌসুমী-ওমর সানী দম্পতি

ভালোবাসায় এক হয়ে সংসার পেতেছেন তারা। ফুটবল উন্মাদনায়ও তারা এক। দু’জনেই ব্রাজিলের সমর্থক। এবারের বিশ্বকাপে নেইমারের হাতে ট্রফি দেখতে চান এই দম্পতি।
 
জয়া আহসান

কাজের ফাঁকে ব্রাজিলের খেলা দেখতে ভুল করেন না দুই বাংলার জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী। কারণ তিনি বরাবরই ব্রাজিলের সমর্থক। জয়া আশাবাদী, এবারের বিশ্বকাপ মিশনে পেলে-রোনাল্ডোর ঐতিহ্য ধরে রাখবেন নেইমার ও তার দল।
  
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী

সবসময় গল্প-নির্মাণে ব্যস্ত থাকলেও খেলা দেখতে বরাবরই ভালোবাসেন ফারুকী। ব্রাজিলের সক্রিয় ভক্ত তিনি। পেলের ঐতিহ্যে ঘেরা দলটিতে তার বর্তমান আস্থা নেইমারের ওপর। এর বাইরে আর্জেন্টিনার মেসির খেলাও ভালো লাগে এই ‘টেলিভিশন’ কারিগরের।
 
জিয়াউল ফারুক অপূর্ব

ছোট পর্দার এই তারকা খেলাপাগল। বিশ্বকাপের মাসে নিজের কাজের শিডিউল খুব ভেবে-চিন্তে করেন। যাতে প্রিয় দল ব্রাজিলের ম্যাচ কোনোভাবেই মিস না হয়। ব্রাজিলের মিশন হেক্সার সাফল্য কামনা করেছেন তিনি। 

আসিফ আকবর

গায়ক হওয়ার আগে আসিফ মূলত খেলোয়াড় ছিলেন। তার আবেগে মিশে আছে ক্রীড়া। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রায়শই তিনি খেলাকেন্দ্রিক আলোচনায় মেতে ওঠেন। বিশ্বকাপে তার পছন্দের দল ব্রাজিল। মিশন হেক্সার পক্ষে থাকলেও আলাদা করে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর জন্য তার ভালোবাসা রয়েছে।
 
অপু বিশ্বাস

ছোটবেলায় যখন খেলা বুঝতেন না, তখন থেকেই ব্রাজিলের সমর্থক তিনি। খেলা বোঝার পর হলুদ জার্সি পরা দলের নৈপুণ্যে মুগ্ধ অপু। কাতার বিশ্বকাপে এই দলের জয় চান ‘জয়’-এর মা।
 
বিদ্যা সিনহা মিম

‘দামাল’-এ স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের পক্ষে ছিলেন। বিশ্বকাপে তার পছন্দ নেইমারের দল। পাঁচবারের বিশ্বকাপজয়ী দলের হাতেই স্বর্ণের ট্রফি উঠবে, এমন প্রত্যাশা মিমের। 

ব্যতিক্রম সিয়াম-সাবিলা

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা যুদ্ধের বাইরেও অনেক তারকা আছেন। এর মধ্যে দু’জন হলেন সিয়াম আহমেদ ও সাবিলা নূর। ২০০৭ সাল থেকে স্পেনের সমর্থক সিয়াম। ইউরোপের এই দলের জয় চান তিনি। তবে পাশাপাশি মেসির খেলাও পছন্দ সিয়ামের।
 
অন্যদিকে সাবিলা নূর ভালোবাসেন জার্মানির টিমওয়ার্ক। একতাবদ্ধ হয়ে দলটির লড়াই মুগ্ধ করে তাকে। তাই কাতার বিশ্বকাপে সাদা জার্সিতেই আনন্দ খুঁজবেন তিনি।