তারেক রহমানের সাজার প্রতিবাদে জবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ

জাগো বাংলা রিপোর্ট প্রকাশিত: ০৫:৩৩ পিএম, ১০ অক্টোবর ২০১৮
তারেক রহমানের সাজার প্রতিবাদে জবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ-মিছিল করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল।

বুধবার দুপুরে মতিঝিল থানায় করা হত্যা মামলায় এ রায় ঘোষণা করেন দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নুর উদ্দিন।

রায় ঘোষণা পরপরই সাজার প্রতিবাদে জবি ছাত্রদলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক ও সাধারণ সম্পাদক আসিফুর রহমান বিপ্লবের নেতৃত্বে এই বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষোভ মিছিলটি রায় সাহেব বাজার মোড় থেকে শুরু হয়ে নবাবপুর হয়ে টিপু সুলতান রোডে গিয়ে পুলিশি বাধায় শেষ হয়।

এসময় এই বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেন, সহ-সভাপতি : আব্দুল জলিল, মিরাজ রহমান, শফিকুল ইসলাম ইমন, আব্দুল আলিম, মিজানুর রহমান নাহিদ, এ.ডি.এম.বাকির জুয়েল, আল-আমিন।

যুগ্ম সাধারন সম্পাদক: মোস্তাফিজুর রহমান, সাখাওয়াত হোসেন, আসাদুজ্জামান আসলাম, আলী হাওলাদার, আবুল খায়ের ফরাজী, আব্দুল মান্নান, ওমর ফারুক হিমেল, ইব্রাহিম কবির মিঠু।

সাংগঠনিক সম্পাদক, সাদিকুুর রহমান সাদিক, প্রচার সম্পাদক, জুয়েল মৃধা এবং সিনিয়র ছাত্রনেতা খোরশেদ আলম কাজলসহ শতাধিক কর্মী।

সমাবেশে ছাত্রদল নেতারা অভিযোগ করে বলেন, ষড়যন্ত্র ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার রায় দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের জনগণ এই রায় মানে না।

রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৯ আসামি হলেন- সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, ব্রিগেডিয়ার (অব.) আবদুর রহিম, আবদুস সালাম পিন্টু, মাওলানা মো. তাজউদ্দীন, মাওলানা শেখ আবদুস সালাম, মো. আবদুল মাজেদ ভাট ওরফে মো. ইউসুফ ভাট, আবদুল মালেক ওরফে গোলাম মোহাম্মদ, মাওলানা শওকত ওসমান, মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান, মাওলানা আবু সাঈদ, আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল, জাহাঙ্গীর আলম, হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, হোসাইন আহমেদ তামিম, মঈন উদ্দিন শেখ, রফিকুল ইসলাম, উজ্জ্বল ওরফে রতন ও হানিফ।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- শাহাদাৎ উল্লাহ ওরফে জুয়েল, মাওলানা আবদুর রউফ ওরফের আবু ওমর আবু হোমাইরা ওরফে পীরসাহেব, মাওলানা সাব্বির আহমদ ওরফে আবদুল হান্নান সাব্বির, আরিফ হাসান ওরফে সুজন ওরফে আবদুর রাজ্জাক, হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া, আবু বকর ওরফে হাফে সেলিম হাওলাদার, মো. আরিফুল ইসলাম ওরফে আরিফ, মহিবুল মোত্তাকিন ওরফে মুত্তাকিন (পলাতক), আনিসুল মুরছালিন ওরফে মুরছালিন (পলাতক), মো. খলিল (পলাতক), জাহাঙ্গীর আলম বদর ওরফে ওস্তাদ জাহাঙ্গীর (পলাতক), মো. ইকবাল (পলাতক), লিটন ওরফে মাওলানা লিটন (পলাতক), তারেক রহমান ওরফে তারেক জিয়া (পলাতক), হারিছ চৌধুরী (পলাতক), কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ (পলাতক), মুফতি শফিকুর রহমান (পলাতক), মুফতি আবদুল হাই (পলাতক) এবং রাতুল আহম্মেদ বাবু ওরফে বাবু ওরফে রাতুল বাবু (পলাতক)।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী শোভাযাত্রায় গ্রেনেড হামলায় আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন; আহত হন কয়েকশ নেতাকর্মী। সেদিন অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

বিএইচ