থার্টি ফার্স্ট নাইটের আয়োজন ছাদেও করা যাবে না : পুলিশ কমিশনার

জাগো বাংলা রিপোর্ট প্রকাশিত: ০৫:৫৮ পিএম, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৭
থার্টি ফার্স্ট নাইটের আয়োজন ছাদেও করা যাবে না : পুলিশ কমিশনার

থার্টি ফার্স্ট নাইট উৎসবমুখর উদযাপনে সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া।

তিনি বলেন, ‘থার্টি ফার্স্ট নাইটে চার দেয়ালের মধ্যে অনুষ্ঠান আয়োজন করা যাবে। বাড়ির ছাদে কোনও আয়োজন করা যাবে না।’

শনিবার রাজধানীর ডিএমপি'র মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপি কমিশনার এসব কথা বলেছেন।

তিনি বলেন, ‘উম্মুক্ত স্থানে কোনও ধরনের জমায়েত, নাচ-গান ও কনসার্টের আয়োজন করা যাবে না। তবে চার দেয়ালের মধ্যে উৎসব আয়োজন করা যাবে। চার দেয়াল বলতে ছাদের নিচে উৎসব আয়োজন করা যাবে। ছাদের ওপরেও কোনও ধরনের উৎসব আয়োজন করা যাবে না। এতে প্রতিবেশীর শান্তি নষ্ট হতে পারে।’

ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, ‘৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা থেকে ১ জানুয়ারি বিকাল পর্যন্ত সব বার বন্ধ থাকবে। গুলশান, বনানী, বারিধারা এলাকায় রাত আটটার পর বহিরাগতদের প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। প্রত্যেকটি প্রবেশ পথে চেকপোস্ট থাকবে। কোনও ধরনের ব্যাগ ও দাহ্য পদার্থ বহন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে কাকলী ও আমতলী ক্রসিং দিয়ে গুলশান ও বনানী এলাকায় প্রবেশ করা যাবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার নিরাপত্তার ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্বাবদ্যালয়ে রাত ৮টার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকার ছাড়া কোনও ধরনের গাড়ি প্রবেশ করবে না। শাহবাগ ও নীলক্ষেতের প্রবেশ পথ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য প্রবেশপথগুলো বন্ধ থাকবে। হাইকোর্ট মোড় থেকে দোয়েল চত্বরের বাম পাশে মোড় নিয়ে চানখারপুল হয়ে অন্যান্য গাড়ি চলাচল করবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করা যাবে না।’

ডিএমপি কমশিনার আরও বলেন, ‘হাতিরঝিল ও রবীন্দ্র সরোবর এলাকায় রাত ৮টার পর কেউ অবস্থান করতে পারবে না। কোনও ধরনের গাড়ির রেস করতে দেখো গেলে বা বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালালে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে এমন কোনও কর্মকাণ্ড কারও চোখে পড়লে বা কোন অভিযোগ থাকলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ডিএমপিকে জানানোর জন্য অনুরোধ করেন তিনি।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তার স্বার্থে পোশাক ও সাদা পোশাকে পুলিশ এবং ডিবি পুলিশের সদস্যরা রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে উপস্থিত থাকবেন। সদা প্রস্তুত থাকবে সোয়াটের বোম্ব ডিসপোজাল টিম। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ স্থানে থাকবে ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার টেন্ডারসহ অন্যান্য প্রস্তুতি।’

আইকে