তিতাস গ্যাসের ২ কর্মকর্তার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড

জাগো বাংলা রিপোর্ট প্রকাশিত: ০৪:৩৬ পিএম, ১১ অক্টোবর ২০২০
তিতাস গ্যাসের ২ কর্মকর্তার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড

ডেমরার তিতাস গ্যাস অফিসের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ৯ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগের মামলায় ৫ বছর করে কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

তারা হলেন, ডেমরার তিতাস গ্যাস অফিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. কামরুজ্জামান সরকার ও টেকনিশিয়ান মো. আব্দুর রহিম। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার দুপুরে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে আসামি কামরুজ্জামান সরকার আদালতে উপস্থিত হন। তবে আরেক আসামি আব্দুর রহিম অসুস্থ থাকায় রায় ঘোষণা পেছানোর আবেদন করেন তার আইনজীবী। আদালত তা নামঞ্জুর করেন রায় ঘোষণা করেন। পরে আসামি কামরুজ্জামানকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামি রহিম পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, রাজধানীর দক্ষিণখানে অবস্থিত নিপ্পন সোয়েটার্স এর মালিক ডি এম আসাদুজ্জামান আওলাদ তার প্রতিষ্ঠানের গ্যাস মিটার সংযোগের জন্য আবেদন করেন। এ দুই আসামি তার কাছে ১৫ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন এবং জানান টাকা না দিলে মিটার সংযোগ দেয়া হবে না। গ্যাস বন্ধ থাকায় ব্যবসার ক্ষতির কথা বিবেচনা করে তিনি নিরুপায় হয়ে টাকা দিতে রাজি হন।

২০০৭ সালের ১০ জুন বেলা চারটার দিকে কামরুজ্জামান দুই হাজার টাকা এবং ১৩ জুন বিকেল পৌনে চারটার দিকে আব্দুর রহিম সাত হাজার টাকা প্রতিষ্ঠানের সহকারী হিসাব রক্ষক মোহাম্মদ আলীর কাছ থেকে নিয়ে যায়। বাকি টাকা মিটার সংযোগের দিন দেয়ার জন্য আসামিরা চাপ সৃষ্টি করলে তিনি তা দিতে রাজি হন।

ওই ঘটনায় ডি এম আসাদুজ্জামান আওলাদ ২০০৭ সালের ১৫ জুন মামলাটি দায়ের করেন। এরপর মামলাটি তদন্ত করে ২০০৯ সালের ৮ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারি পরিচালক জাহিদ হোসেন দুই জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। একই বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগগঠন করা হয়। মামলাটির মোট ৮ সাক্ষীর মধ্যে ৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। আসামিদের পক্ষে দুইজন সাফাই সাক্ষ্য দেন।